To See Bangla More Clearly
বাংলাদেশ
পরমাণু শক্তি
বিজ্ঞানী সংঘ
গঠনতন্ত্র
১। নাম
এই সংঘ “বাংলাদেশ
পরমাণু শক্তি
বিজ্ঞানী সংঘ”
নামে অভিহিত
হইবে।
২। ব্যাখ্যা
ব্যবহৃত
কতকগুলি
শব্দের
ব্যাখ্যা
নিম্নরূপ
হইবেঃ-
(ক) সংঘ -
বাংলাদেশ
পরমাণু শক্তি
বিজ্ঞানী সংঘ।
(খ) কমিশন -
বাংলাদেশ
পরমাণু শক্তি
কমিশন
(গ) প্রতিষ্ঠান
- কমিশনের
প্রতিষ্ঠান
যথা, সেন্টার/ইন্স্টিটিউট/প্রধান
কার্য্যালয়, ইত্যাদি।
(ঘ) বিজ্ঞানী
- প্রতিষ্ঠানগুলির
বৈজ্ঞানিক
কর্মীবৃন্দ যাহারা
ন্যূনপক্ষে
এম.এস-সি, বি.এস-সি
ইঞ্জিনিয়ারিং,
বি.এ-জি,
এম.বি.বি.এস
অথবা সমতুল্য
ডিগ্রীসহ নিম্নলিখিত
বা তদুর্ধ পদে
নিয়োজিত
আছেনঃ
১) সায়েন্টিফিক
অফিসার -(এস, ও)
বা বৈজ্ঞানিক
কর্মকর্তা
২)
মেডিকেল
অফিসার - (এম, ও)
বা চিকিৎসা
কর্মকর্তা
৩) এসিষ্ট্যান্ট
ইঞ্জিনিয়ার - (এ,ই)
বা সহকারী
প্রকৌশলী
৪) আর্কিটেক্ট
- (আর্কিটেক্ট)
বা নকসাবিদ
৫) জিওলজিষ্ট
- (জিওলজিষ্ট)
বা ভূতত্ত্ববিদ
৬) রিসার্চ
অফিসার - (আর,ও)
বা গবেষণা
কর্মকর্তা
(ঙ) সদস্য -
সংঘের সাধারণ
সদস্য
(চ) পরিষদ -
সংঘের
কেন্দ্রীয়
কর্মপরিষদ
(ছ) পরিষদ
সদস্য -
কর্মপরিষদের
সদস্য
(জ) মেয়াদ -
কর্মপরিষদের
কার্যকালের
মেয়াদ
(ঝ) সম্পাদক
- সাধারণ
সম্পাদক
(ঞ) শূন্যপদ - পরিষদের
যে কোন
কর্মকর্তা বা
সদস্যের পদ পদ
পরিষদের মেয়াদ
শেষ হইবার কমপক্ষে
তিন মাস
পূর্বে খালি
হইলে তাহা শূন্যপদ
বলিয়া
বিবেচিত হইবে।
প্রস্তাবনা
অতিক্রান্ত
সময়ের
ব্যবধানকে অতিক্রম
করিয়া
ঐতিহ্যবাহী
বাংলাদেশ
পরমাণু শক্তি
কমিশনের বিজ্ঞানীগণ
যেহেতু
কর্মজীবনের
প্রেক্ষাপটে
পারষ্পরিক
সম্পর্ক
প্রতিষ্ঠা,
সংরক্ষণ ও
উন্নয়নে
আগ্রহী,
এবং
যেহেতু সবারই
পেশাগত
স্বার্থের
তাগিদে কর্তৃপক্ষের
সাথে ভাবের
আদান-প্রদানের
মাধ্যমে
কাল-কালান্তরের
মধ্যে সমঝোতা
ও ভ্রাতৃত্বের
সেতুবন্ধন
রচনার
উদ্দেশ্যে
তাহারা
একাত্ম,
সেহেতু
তাহারা
সংস্কারমুক্ত,
উদার,
অরাজনৈতিক,
শ্রেণীহীন ও
সমৃদ্ধ সংস্কৃতির
পরিশীলন,
পরিমার্জন ও
সংঘবদ্দ ও সংহত
করিবার
প্রয়োজনীয়তা
উপলব্ধি
করিতেছে।
এবং এই
উপলব্ধির
ফলশ্রুতি
হিসাবে
বাংলাদেশ পরমাণু
শক্তি
বিজ্ঞানী সংঘ কার্যনির্বাহী
পরিষদ ৮৭,
নিম্নবর্ণিত
(১-১১ পৃষ্ঠা) ২৪টি
ধারা সম্বলিত
প্রণীত
গঠনতন্ত্রটি
ছাপানোর সিদ্ধান্ত
গ্রহণ
করিয়াছে।
গঠনতন্ত্র
প্রকাশনা
উপ-কমিটি
1| ডঃ
এম, এ, রব
মোল্লা -
সভাপতি
2| এ,
কে, এম, ফজলুল
হক - আহ্বায়ক
3| ডঃ
শহীদুল্লাহ্
মৃধা -
তত্ত্বাবধায়ক
সম্পাদক
4| এ,
কে, এ, আব্দুল
হাকিম -
অনুলেখক
ভূমিকা
বাংলাদেশ
স্বাধীন হবার
পর ১৯৭২ সনে
বাংলাদেশ
পরমাণু শক্তি
কমিশন
পুনর্গঠিত হয়। কমিশনে
কর্মরত সব
বিজ্ঞানীদেরকে
এক সূত্রে গাঁথার
জন্য তাদের
বিবিধ
স্বার্থের
দিকে লক্ষ্য
রাখার
উদ্দেশ্য
নিয়ে ঐ বৎসরই
গঠিত হয় বাংলাদেশ
পরমাণু শক্তি
বিজ্ঞানী সংঘ
(BAESA)
যার
দিক-নির্দেশিকা
ও রক্ষা কবচ
হচ্ছে বায়েসা
গঠনতন্ত্র। কালের
আবর্তনে সময়ের
চাহিদানুযায়ী
সংশোধিত,
সংযোজিত, পরিবর্তিত
হয়েছে এই
গঠনতন্ত্রের
বিভিন্ন ধারা,
উপ-ধারা। গত
ষোল বছরে
বর্তমান
পর্যায়ে এসে
ঠেকেছে বিজ্ঞানী
সংঘের
কন্সটিটিউশন। শৈশব,
কৈশোর
অতিক্রম করে
তারুন্যে
পৌছে গেছে আমাদের
প্রাণ প্রিয়
সংঘটি। সবার
হাতে ছাপানো
ফর্মে
গঠনতন্ত্রটি
তুলে দেবার
আন্তরিক
তাগিদ আমরা
অনুভব করেছি।
এতদুদ্দেশ্যে
১৯৮৭ সনের
কার্যকরী
পরিষদ এক বাস্তব
পদক্ষেপ
গ্রহণ করে। সাধারণ
সম্পাদক এ, কে,
এম, ফজলুল হক
বহুবারের সংশোধিত
পড়ার অযোগ্য
ফসিল মাষ্টার
কপিটি থেকে
সদস্য এ, এ, এম,
আব্দুল
হাকিমের সহায়তা
নিয়ে
পাণ্ডুলিপিটি
প্রস্তুত
করেন। তারপর
কোষাধ্যক্ষ,
ডঃ
শহীদুল্লাহ্
মৃধার
সার্বিক
তত্ত্বাবধানে
সম্পাদিত হয়ে ছাপা
হয় অবশেষে
গঠনতন্ত্রটি। সাতাশির
পরিষদের
সভাপতি
হিসেবে আমি
এদের সবাইকে
জানাই
আন্তরিক
ধন্যবাদ। এই
মহৎ কর্মটি
সম্পন্ন করতে
পেরে আমরা
আনন্দিত। কোন
কিছুই
চিরস্থায়ী
নয়। ভবিষ্যতেও
প্রয়োজনানুসারে
গঠনতন্ত্র
সংশোধন হবে। আগামী
দিনের অনাগত
প্রজন্মের
বিজ্ঞানীদের অবদান
কামনা করে
অগ্রিম
শুভেচ্ছা
জানাচ্ছি। আমাদের
প্রারম্ভের
উপর গড়ে উঠবে
তাদের স্বপ্ন-মঞ্জিল।
সুখী-সমৃদ্ধ
এক শক্তিশালী
বাংলাদেশের
অভ্যুদয়ের
অপেক্ষায় -
ডঃ
এম, এ, রব
মোল্লাসভাপতিবায়েসা
কার্যনির্বাহী
পরিষদ ৮৭ঢাকা
৩।
উদ্দেশ্য
(ক) কমিশনের
সবল
প্রতিষ্ঠান ও
কর্মচারীবৃন্দের
সর্বাত্ম
উন্নতি সাধনে
সচেষ্ট হওয়া।
(খ) পরমাণু
বিজ্ঞানের সর্বাত্মক
উন্নতি কল্পে
কাজ করিয়া
যাওয়া।
(গ) পরমাণু
বিজ্ঞান
সংক্রান্ত
গুরুত্বপূর্ণ
সমস্যাবলী
সম্পর্কে
গভীরভাবে
পর্যালোচনা
করা এবং সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের
নিকট উপযুক্ত
সমাধান পেশ
করা।
(ঘ) বিজ্ঞানী
ও অন্যান্য
কর্মচারীদের
মধ্যে একতা,
সহযোগিতা,
সৌহার্দ,
ভ্রাতৃত্ব ও
প্রীতির ভাব
স্থাপন করা।
(ঙ) পরমাণু
শক্তি বিষয়ক ও
পরমাণু
শক্তির সহিত
জড়িত বিভিন্ন
বিষয়ে
জ্ঞানের
আদান-প্রদান
করা এবং উহার
উন্নতি বিধান
করা।
(চ) পরমাণু
শক্তির
ব্যবহার
সম্পর্কে
বিভিন্ন ধরণের
প্রদর্শনীর
ব্যবস্থা
করা।
(ছ) কমিশনের
প্রতিষ্ঠান
গুলির গবেষণা
ও অন্যান্য
কর্মকাণ্ড
সম্পর্কীয়
সম্ভাব্য
প্রকাশনা,
প্রচার ও
আলোচনা সভার
ব্যবস্থা
করা।
(জ) প্রতিষ্ঠানগুলির
স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট যে
কোন বিষয়
সম্পর্কে
আলোচনা করা ও
সদস্যদের
মতামাত যথাযথ
কর্তৃপক্ষ ও
সরকারকে
অবহিত করা।
(ঝ) বিজ্ঞানীদের
ন্যায়সংগত স্বার্ত,
অধিকার ও
মর্যাদা
রক্ষা করা এবং
এই উদ্দেশ্য
সাধনের জন্য
নিয়ম ও
শৃঙ্খলার
সহিত
প্রচেষ্টা
চালাইয়া
যাওয়া।
(ঞ) কোন
বিজ্ঞানীর
দুর্ঘটনা
জনিত বিপদে
তাহাকে ও
তাহার
পরিবারবর্গকে
সম্ভাব্য
সাহায্য করা।
(ট)
ব্যক্তিগত ও
সমষ্টিগতভাবে
বিজ্ঞানীদের সামাজিক
ও সাংস্কৃতিক
মান উন্নয়ন
করা।
(ঠ) বাংলাদেশের
বাহিরে ও
ভিতরে অনুরূপ সংস্থার
সহিত যোগাযোগ
এবং ভাবের
আদান-প্রদান
করা।
(ড) দেশের
বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তির গবেষণা
ও পেশাগত
উন্নয়নে
বৃহত্তর
স্বার্থে বিজ্ঞানীদের
জাতীয়
ভিত্তিক
কর্মকাণ্ডে
অংশ গ্রহণ
করা।
(ঢ) বিজ্ঞান
ক্ষেত্রে
সর্বস্তরে
বাংলা ভাষার ক্রমান্বয়
প্রচলনে
সচেষ্ট হওয়া।
(ন) বৈজ্ঞানিক
গবেষণার
ক্ষেত্রে
প্রয়োজনীয়
পরিবেশের
উন্নতি কল্পে
সর্বপ্রকার
প্রচেষ্টা
চালাইয়া
যাওয়া।
(ত) এই
সংঘ একটি
পূর্ণাঙ্গ
অরাজনৈতিক,
সামাজিক ও উন্নয়নমূলক
সংস্থা এবং
ইহা সর্ব
প্রকার ব্যক্তি
স্বার্থের
উর্দ্ধে কাজ
করিবে।
৪। সংঘের
কার্যালয়/অফিস
(ক) সংঘের
কেন্দ্রীয়
কার্যালয়/অফিস
দেশের
রাজধানী
ঢাকায় অবস্থিত
হইবে।
(খ) সংঘের
সাধারণ সভার
অনুমোদন
সাপেক্ষে
ঢাকায় এবং
ঢাকার বাহিরে
প্রতিষ্ঠানগুলিতেও
সংঘের
আঞ্চলিক শাখা
অফিস থাকিতে
পারে।
৫। সদস্য
পদ
(ক) সাধারণ
সদস্য - কমিশনের
প্রত্যেক
বিজ্ঞানীকে
সংঘের সমদস্য
হিসাবে গন্য
করা হইবে। তবে
সংঘের চাঁদা
প্রদান না
করিলে কোন
সদস্য সংঘের
কোন প্রকার
নির্বাচন বা
ভোটে (এমন কি
তলবী সভার
ব্যাপারেও) অংশ
গ্রহণ অথবা
সংঘের কোন
প্রকার সুযোগ
সৃবিধা গ্রহণ
করিতে
পারিবেন না।
(খ) কোন
সংস্থা
কমিনের
অন্তর্ভুক্ত
হইলে তাহার বিজ্ঞানীগণও
সংঘের সদস্য
হইবেন।
(গ) সদস্যপদ
বাতিল - নিম্নলিখিত
কারণে সংঘের
সদস্যপদ
বাতিল বলিয়া
বিবেচিত
হইবেঃ-
1)
কমিশন হইতে
পদত্যাগ অথবা
অবসর গ্রহণ
করিলে অথবা
চাকুরীচ্যুত
হইলে,
2)
কমিশনে
সরকার কর্তৃক
নিযুক্ত কোন
পদে (ষ্ট্যাটিউটরী
পোষ্টে)
অধিষ্ঠিত
থাকিলে,
3)
লিয়েন/ডেপুটেশনে
কমিশনের
বাহিরে গেলে।
(ঘ) বার্ষিক
চাঁদা - সংঘের
বার্ষিক
চাঁদা ১২০.০০ (একশত
বিশ) টাকা
মাত্র।
সাধারণ সভা
কর্তৃক
নির্দিষ্ট নিয়মে
চাঁদা দিতে
হইবে। বার্ষিক
চাঁদার
পরিমাণ
পরিবর্তন
করিতে হইলে
সাধারণ সভার
অনুমতি নিতে
হইবে।
৬। কর্ম
পরিষদের
কার্যকাল
১লা
জানুয়ারী
হইতে
ডিসেম্বর
পর্যন্ত সময়
সংঘের
কর্মপরিষদের
কার্যকাল
হিসাবে গণ্য
হইবে।
৭। সংঘের
কেন্দ্রীয়
কর্মপরিষদ
নিম্নে
বর্ণিত ১৩
(তের) জনের
সমন্বয়ে
কেন্দ্রীয়
কর্মপরিষদ
গঠিত হইবে।
পরিষদের
কর্মকর্তাঃ
(ক)
সভাপতি - ১ (এক)
জন
(খ)
সহ-সভাপতি - ১
(এক) জন
(গ)
কোষাধ্যক্ষ -
১ (এক) জন
(ঘ)
সাধারণ সম্পাদক
- ১ (এক) জন
(ঙ)
সহ-সাধারণ
সম্পাদক - ১ (এক)
জন
(চ)
তথ্য ও
প্রকাশনা
সম্পাদক - ১ (এক)
জন
এবং
পরিষদ সদস্য -
৭ (সাত) জন।
৮। পরিষদের
ক্ষমতা ও
কর্তব্য
(ক) সংঘের
ব্যবস্থাপনা
পরিষদের উপর
ন্যস্ত থাকিবে।
(খ) গঠনতন্ত্রের
সন্নিবেশিত
নিয়ম-কানুন
অনুযায়ী পরিষদ
সংঘের
উদ্দেশ্য
সাধনে বাধ্য
থাকিবে।
(গ) সংঘের
সর্বপ্রকার
কার্যাবলীল
জন্য পরিষদ সাধারণ
সভার নিকট
দায়ী থাকিবে।
(ঘ) সংঘের
তহবিল
পরিচালনা ও
সংরক্ষণের
ভার পরিষদের
উপর থাকিবে
এবং সংঘের
বাৎসরিক
আয়-ব্যয়ের
হিসাব
বাৎসরিক সাধারণ
সভায় পেশ
করিতে হইবে।
(ঙ) পরিষদ
সভায় উপস্থিত
পরিষদ
কর্মকর্তা ও
পরিষদ সদস্যদের
সংখ্যাগরিষ্ঠ
ভোটে পরিষদের
সর্বপ্রকার
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করিতে
হইবে।
(চ) সংঘের
উদ্দেশ্য
বর্ণিত যে কোন
বিষয় বা বিষয়গুলি
কার্যকরী
করিবার জন্য
প্রয়োজন বোধে
পরিষদ
উপ-পরিষদ গঠন
করিতে পারিবে
এবং এই
উপ-পরিষদে
সাধারণ
সদস্যদের মধ্য
হইতেও সদস্য
লইতে পারিবে।
(ছ) বিজ্ঞানীদের
স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট যে
কোন বিশেষ
জরুরী সমস্যা
সমাধান কল্পে
পরিষদ ত্বরিৎ ব্যবস্থা
গ্রহণ করিতে
পারিবে। এই
জাতীয় কোন ব্যবস্থা
গ্রহণ করা
হইলে তাহা
সংঘের পরবর্তী
সাধারণ সভায়
উপস্থাপিত
করিতে হইবে।
(জ) পরিষদের
শূন্যপদ - পরিষদের
যে কোন
কর্মকর্তার
কিংবা
সদস্যের শূন্যপদে
পরিষদ সংঘের
চাঁদা
প্রদানকারী
সদস্যদের
মধ্য হইতে যে
কোন সদস্যকে
উক্ত পদে মনোনয়ন
প্রদান করিতে
পারিবে। তবে
উক্ত মনোনয়ন সংঘের
পরবর্তী
সাধারণ সভায়
অনুমোদিত
হইতে হইবে।
৯। (১)
সভাপতি
(ক) সভাপতি
পরিষদের
সভাসহ সকল
প্রকার সভায়
সভাপিতত্ব
করিবেন।
সভাপতির
অনুপস্থিতিতে
সহ-সভাপতি
সভাপতিত্ব
করিবেন।
সভাপতি ও
সহ-সভাপতির
অনুপস্থিতিতে
যে কোন পরিষদ
সদস্য পরিষদ
কর্তৃক
নির্বাচিত
হইয়া সভাপতিত্ব
করিতে
পারিবেন।
(খ) সংঘের
যে কোন সভায় সভাপতি
গঠনতন্ত্রের
যে কোন বৈধতার
প্রশ্ন অথবা যে
কোন আইনের
ব্যাখ্যা
দিবেন এবং
তাহাই চূড়ান্ত
বলিয়া গণ্য
হইবে। পরিষদের
সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তা বা
কর্মকর্তাগণ
তাহাদের
কার্যের/দায়িত্বের
ব্যাখ্যা দিতে
অপারগ হইলে
সভাপতি উহারও
ব্যাখ্যা
দিতে পারিবেন।
সভায় শৃঙ্খলা
বজায় রাখার
জন্য সভাপতি
তাহার
বিবেচনায়
উপযুক্ত
নির্দেশ দিতে
পারিবেন।
(২)
সহ-সভাপতি
(ক) সভাপতির
অনুপস্থিতিতে
সহ-সভাপতি
সভাপতির সকল
দায়িত্ব পালন
করিবেন।
(খ) সভাপতির
পদ শূন্য হইলে
সহ-সভাপতি
শূন্য পদে বহাল
হইবেন এবং
সহ-সভাপতির পদ
শূন্য বলিয়া
বিবেচিত
হইবে।
১০। (১)
সাধারণ
সম্পাদক
(ক) সাধারণ
সম্পাদক
সংঘের যাবতীয়
প্রশাসনিক
কার্য
পরিচালনা এবং
পরিষদ কর্তৃক
অর্পিত যে কোন
দায়িত্ব পালন
করিবেন।
(খ) সাধারণ
সম্পাদক
সংঘের সকল সভা
আহ্বান করিবেন।
পরিষদ সভা
সভাপতির এবং
সাধারণ সভা
পরিষদের অনুমোদনক্রমে
আহ্বান করিতে
হইবে।
(গ) পরিষদের
সভা কমপক্ষে
সাত দিনের এবং
সাধারণ সভা
কমপক্ষে পনের
দিনের
বিজ্ঞপ্তিতে
আহ্বান করিতে
হইবে। তবে
পরিষদের
জরুরী সভা দুই
দিনের এবং সংঘের
জরুরী সাধারণ
সভা তিন দিনের
বিজ্ঞপ্তিতে আহ্বান
করা যাইবে।
(ঘ) যে
কোন বিষয়ের
উপর আলোচনার
জন্য পরিষদ
কর্মকর্তা ও
পরিষদ
সদস্যের মোট সংখ্যার
সংখ্যা
গরিষ্ঠ আবেদন
জানাইলে
সম্পাদককে
পরিষদের সভা
আহ্বান করিতে
হইবে। এইরূপ
আবেদনপত্র
পাওয়ার তিন
দিনের মধ্যে
সভা ডাকার
বিজ্ঞপ্তি না
দেওয়া হইলে
আবেদনকারীরা
নিজেরাই তিন
দিনের
বিজ্ঞপ্তিতে
উল্লিখিত
বিষয় আলোচনার
জন্য পরিষদের
সভা আহ্বান
করিতে পারিবেন।
(ঙ) তিনি
প্রত্যেকটি
সভার কার্যবিবরণী
লিপিবদ্ধ
করিবেন এবং
অনুরূপ
পরবর্তীসভায়
তাহা পেশ করিবেন।
তিনি পরিষদের
সমস্ত
নথিপত্রও
সংরক্ষণ
করিবেন।
(চ) তিনি
বাৎসরিক
কার্যবিবরণী
প্রস্তুত
করিবেন এবং
বার্ষিক
সাধারণ সভায়
উক্ত বিবরণী
পেশ করিবেন।
(২)
সহ-সাধারণ
সম্পাদক
(ক) সহ-সাধারণ
সম্পাদক
সাধারণ
সম্পাদকের
সকল কাজে
সহযোগিতা
করিবেন এবং সাধারণ
সম্পাদকের
অনুপস্থিতিতে
তাঁহার যাবতীয়
দায়-দায়িত্ব
পালন করিবেন।
(খ) সাধারণ
সম্পদকের পদ
শূন্য হইলে
সহ-সাধারণ সম্পাদক
উক্ত পদে বহাল
হইবেন এবং
সহ-সাধারণ সম্পাদকের
পদ শূন্য
বলিয়া
বিবেচিত
হইবে।
(৩)
তথ্য ও
প্রকাশনা
সম্পাদক
তিনি
পরিষদ কর্তৃক
অর্পিত সংঘের
যাবতীয়
প্রকাশনা, প্রচারনা
সম্পর্কিত যে
কোন দায়িত্ব
পালন করিবেন।
১১। কোষাধ্যক্ষ
অর্থ
সংগ্রহ
সংরক্ষণ ও আয়
ব্যয় হিসাব
সংক্রান্ত
যাবতীয়
দায়িত্ব
কোষাধ্যক্ষের
উপর ন্যস্ত
থাকিবে। বৎসর
শেষে
কোষাধ্যক্ষকে
বাৎসরিক
আয়-ব্যয়ের
হিসাব নিকাশ
পরিষদের নিকট
পেশ করিতে
হইবে এবং পরে
তাহা সংঘের বাৎসরিক
সাধারণ সভায়
উপস্থিতি
করিতে হইবে।
১২।
পরিষদ সদস্য
(ক)
পরিষদ সদস্য
সকল সভায়
যোগদান করিয়া
বিভিন্ন
সিদ্বান্ত
গ্রহনে এবং
সংঘের
বিভিন্ন কার্যে
সভাপতি ও
সাধারণ
সম্পাদককে
সহায়তা করিবেন।
(খ)
পরিষদ কর্তৃক
অর্পিত যে কোন
অথবা যে কোন
কর্মকর্তার
দায়িত্ব এবং
কর্তব্য পালন
করিবেন।
১৩।
অডিটর
সাধারণ
সভা কর্তৃক
নিযুক্ত
অডিটর দ্বারা
সংঘের যাবতীয়
আর্থিক হিসাব
নিকাশ
পুঙ্খানুপুঙ্খরুপে
পরীক্ষা করত :
পরিষদ উক্ত
হিসাব পত্র অনুমোদনের
জন্য বাৎসরিক
সাধারণ সভায়
পেশ করিবে।
১৪।
পরিষদ নির্বাচন
(ক) গোপন
ব্যালটের
মাধ্যমে
কর্মপরিষদ
নির্বাচিত
হইবে।
(খ) কোন
সদস্য একাধিক
পদের জন্য
প্রার্থী
হইতে পারিবেন
না।
(গ)
পরিষদের
মেয়াদ শেষ
হইবার
কমপক্ষে
দুইমাস পূর্বে
পরিষদ
নির্বাচনী
কমিশনার
নিয়োগ করিব। নির্বাচনী
কমিশনার
নিয়োগ করিবার
পনের দিনের
মধ্যে পরিষদ তাঁহাকে
ভোটার তালিকা
প্রদান
করিবে।
নির্বাচনী
কমিশনার তাঁহার
নিয়োগের পর
দুইমাসের
মধ্যে
নির্বাচন সমাপ্ত
করিবেন।
(ঘ)সংঘের
কেন্দ্রীয়
কার্যালয়ে
ভোট গ্রহণ
কেন্দ্র
স্থাপন করিতে
হইবে।
প্রয়োজনবোধে
রাজধানী
ঢাকার বাহিরে
অবস্থিত
কমিশনের যে
কোন প্রতিষ্ঠান/
কেন্দ্র/ ইন্সটিটিউটেও
ভোট গ্রহণ
কেন্দ্র
স্থাপন করা
যাইতে পারে এবং
নির্বাচনী
কমিশনার
কর্তৃক ইহা
সম্ভব বলিয়া
বিবেচিত না
হইলে
সেক্ষত্রে ডাকযোগে
ভোট গ্রহনের
ব্যবস্থা
করিতে হইবে।
(ঙ)নির্বাচনী
কমিশনার
পরিষদ
নির্বাচনে
কোন পদপ্রার্থী
হইতে পারিবেন
না, তবে
তাঁহার ভোটের
অধিকার
থাকবে।
(চ)
নির্বাচনী
কমিশনার
নির্বাচনের
তারিখের কমপক্ষে
৪৫
(পয়তাল্লিশ)
দিন পূর্বে
নির্বাচন কর্মসূচী
সম্বলিত বিজ্ঞপ্তি
সংঘের সকল
সদস্যের জ্ঞাতার্থে
কর্মিশনের
প্রতিটি
প্রতিষ্ঠান/
কেন্দ্র/ইন্সটিটিউট/
অফিস এর
প্রধানের
নিকট প্রেরণ
করিবেন।
চুড়ান্ত
প্রার্থী তালিকা
নির্বাচন
তারিখের
কমপক্ষে ২০
বিশ দিন
পূর্বে
প্রকাশ করিতে
হইবে এবং সদস্যদের
জ্ঞাতার্থে
প্রচার করিতে
হইবে।
নির্বাচন
পরিচালনা এবং নির্বাচন
সংক্রান্ত
যাবতীয় বিষয়ে
তিনি প্রয়োজন
অনুযায়ী সকল
পদ্ধতিগত
ব্যবস্থা
গ্রহণ করিবেন
এবং উল্লিখিত
দায়িত্ব
পালনে তাঁহাক সহায়তা
করার জন্য
প্রয়োজনীয়
সংখ্যক
এজেন্ট নিয়োগ
করিতে
পারিবেন।
(ছ)একই
পদের জন্য
সমান সংখ্যাক
ভোট প্রাপ্ত
প্রার্থীদের
সমস্যা
নির্বাচনী
কমিশনারকে লটারীর
মাধ্যমে
সমাধান করিতে
হইবে।
নির্বাচনী
কমিশনার
সমসংখ্যক
ভোট প্রাপ্ত
সংশ্লিষ্ট
প্রার্থীদের
পত্র মারফত
এইরুপ লটারীর
সমাপ্তির তিন
দিনের মধ্যেই
নির্বাচনের
ফলাফল ঘোষণা
করিবেন।
(জ)
নির্বাচন
ট্রাইবুনাল-
কোন
প্রার্থী কর্তৃক
নির্বচন
সংক্রান্ত
কোন আপত্তি
নির্বাচনের
ফলাফল
ঘোষনার
পাঁচ দিনের
মধ্যে উপস্থাপিত
হইলে পরিষদ
সংঘের তিন
সদস্য বিশিষ্ট
একটি
নির্বাচন
ট্রাইবুনাল
গঠন করিবেন।
পরিষদে
নির্বাচন
পদপ্রার্থী
নন সংঘের শুধু
এইরুপ সদস্যকেই
উক্ত
ট্রাইবুনালের
অন্তর্ভুক্ত করা
যাইবে। উক্ত
ট্রাইবুনালেন
চেয়ারম্যান পরিষদ
কর্তৃক
মনোনীত
হইবেন।
বির্তকমূলক
বিষয় বা
আপত্তির
নিষ্পত্তি এক
সপ্তাহের
মধ্যেই করিতে
হইবে।
ট্রাইবুনালের
সিদ্ধান্তই
চুড়ান্ত
বলিয়া
বিবেচিত
হইবে।
১৫। নির্বাচিত
পরিষদের
কার্যভার
গ্রহণ
নির্বাচন
কমিশনার
কর্তৃক
নির্বাচনের
চূড়ান্ত
ফলাফল ষোষিত
হইবার ১৫
(পনের) দিনের
মধ্যেই
পূর্বতন
পরিষদকে নব
নির্বাচিত
পরিষদের নিকট
কার্য ও
দায়িত্বভার
হস্তান্তরকরিতে
হইবে।
১৬। তহবিল
(ক) সংঘের
যাবতীয় অর্থ
ঢাকার যে কোন
তফসিলী
ব্যাংকে জমা রাখিতে
হইবে এবং
সাধারণ
সম্পাদক ও
কোষাধ্যক্ষ
যুক্তভাবে ঐ
অর্থের
আদান-প্রদান
করিবেন। সাধারণ
সম্পাদক/কোষাধ্যক্ষ
সর্বাধিক
পাঁচ শত টাকা
নিজের নিকট
রাখিতে
পারিবেন। পাঁচ
শত টাকা
উর্দ্ধে কোন
ব্যয়ের জন্য
পরিষদের
অনুমোদন লইতে
হইবে।
(খ) সংঘের
তহবিল সংক্রান্ত
যাবতীয়
আদান-প্রদানের
হিসাব, হিসাব
বহিতে রাখিতে
হইবে এবং পরবর্তী
পরিষদ সভায়
পেশ করিতে
হইবে।
১৭।
সংঘের সভা
(ক) সাধারণ
সভা সংঘের
সর্বময় কর্তা
বলিয়া গণ্য হইবে।
(খ) বৎসরে
কমপক্ষে
তিনটি সাধারণ
সভা অনুষ্ঠিত
হইতে হইবে।
(গ) সংঘের
বার্ষিক
সাধারণ সভা
ডিসেম্বর
মাসের মধ্যে
আহ্বান করিতে
হইবে।
(ঘ) কোন
জরুরী বিষয়
আলোচনার জন্য
সংঘের মোট
সদস্যের
কমপক্ষে এক
তৃতীয়াংশের
লিখিত আবেদন
উপস্থাপিত
হইলে পরিষদের
সাধারণ সভা
আহ্বান করিতে
হইবে। এইরূপ
আবেদন পাওয়ার
তিন দিনের
মধ্যে সাধারণ
সভা ডাকার
বিজ্ঞপ্তি
দেওয়া না হইলে
আবেদনকারীরা
নিজেরাই দুই সপ্তাহের
বিজ্ঞপ্তিতে
জরুরী সাধারণ
সভা আহ্বান
করিতে
পারিবেন।
(ঙ) সংঘের
চাঁদা
প্রদানকারী
মোট সদস্যের
এক ষষ্ঠাংশের
উপস্থিতি
সাধারণ সভার
কোরাম বলিয়া বিবেচিত
হইবে।
পরিষদের সভা
পরিষদের
কর্মকর্তা ও
পরিষদ সদস্যের
মোট সংখ্যার
সংখ্যাগরিষ্ঠের
উপস্থিতি
পরিষদ সভার
কোরাম বলিয়া
গণ্য হইবে।
(চ) মূলতবী
সভা সাতদ
দিনের মধ্যে
আহ্বান করিতে
হইবে এবং এই
সভায়
কেবলমাত্র
মূলসভার
আরলাচ্য বিষয়ের
উপর
সিদ্ধান্ত
লইতে হইবে।
১৮। অনাস্থা
প্রস্তাব
পরিষদ
বা উহার যে
কোন
কর্মকর্তা বা
সদস্যের বিরুদ্ধে
কারণ
দর্শাইয়া অনাস্থা
প্রস্তাব
আনিতে হইলে
সংঘের চাঁদা প্রদানকারী
মোট সদস্যের
কমপক্ষে এক
তৃতীয়াংশের
যুক্তভাবে
লিখিত আবেদন
এতদুদ্দেশ্যে
আহুত সাধারণ
সভায় পেশ
করিতে হইবে।
যদি প্রস্তাবটি
আহুত সভায়
সংঘের চাঁদা
প্রদানকারী
মোট সদস্যের
দুই-তৃতীয়াংশের
সংখ্যাগরিষ্ঠতায়
গৃহীত হয় তবে
পরিষদ বা
সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তা বা
সংশ্লিষ্ট
সদস্য
স্বাভাবিকভাবে
ক্ষমতাচ্যূত
হইবেন। পরিষদ
ক্ষমতাচ্যূত
হইলে একই সভা
একজন আহ্বায়ক
নির্বাচন
করিবে যিনি
পরবর্তী দুই
সপ্তাহের
মধ্যে নতুন
পরিষদ গঠন
করিতে সাধারণ
সভা আহ্বান
করিবেন।
১৯। গঠনতন্ত্র
সংশোধন
গঠনতন্ত্রের
কোন সংশোধন করিতে
হইলে সাধারণ
সভায় উপস্থিত
সংঘের চাঁদা
প্রদানকারী
মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠের
অনুমোদন
প্রয়োজন
হইবে। গঠনতন্ত্র
সংশোধনী
প্রস্তাব
সাধারণ সভার
বিষয় সূচীর
অন্তর্ভুক্ত
হইতে হইবে।
২০।
পদত্যাগ
(ক) কোন
পরিষদ সদস্য
বা পরিষদ
কর্মকর্তা
পদত্যাগ
করিতে চাহিলে
তিনি
লিখিতভাবে তাহার
কারণ
দর্শাইয়া
পদত্যাগপত্র
সভাপতির নিকট
দাখিল
করিবেন। পরিষ
পরবর্তী
পরিষদ সভায়
পদত্যাগপত্র
বিবেচনা
করিয়া উহা
গ্রহ করিলে
উক্ত পদ শূন্য
বলিয়া
বিবেচিত
হইবে।
(খ) কর্ম
পরিষদ একযোগে
পদত্যাগ
করিলে
পরিষদের সভাপতি
(অনুপস্থিতিতে
সম্পাদক) এক
সাধারণ সভায়
উহা পেশ
করিবেন। উক্ত
সাধারণ সভা
একজন নির্বাচনী
কমিশনার
নিযুক্ত
করিবে যিনি
দুই সপ্তাহের
মধ্যে নুতন
কর্ম পরিষদ
গঠনের জন্য অবশ্যই
সাধারণ সভা
আহ্বান
করিবেন।
২১। পরিষদ
কর্মকর্তা ও
পরিষদ সদস্য
পদ বাতিল
নিম্নলিখিত
কারণে পরিষদ কর্মকর্তা
ও পরিষদ সদস্য
পদ বাতিল হইবেঃ
(ক) কমিশন
হইতে পদত্যাগ
বা অবসর গ্রহণ
করিলে অথবা
চাকুরী চ্যূত
হইলে।
(খ) পরিষদের
সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তা বা
সদস্যের সংঘের
সদস্যপদ
বাতিল হইলে।
(গ) পরিষদের
কর্মকর্তা বা
পরিষদ সদস্য
যদি উপযুক্ত
কারণ ব্যতিরেকে
পরপর তিনটি
পরিষদ সভায় অনুপস্থিত
থাকেন।
(ঘ) যদি
কর্তব্য
পালনের নামে
ক্ষমতার
অপব্যবহার
করিয়া সংঘের
(উদ্দেশ্যের
পরিপন্থী)
পরিপন্থী কাজ
করেন। কিংবা
সংঘের কোন
জিনিসপত্র
নষ্ট করেন বা
সংঘের
টাকা-পয়সা
আত্মসাৎ
করেন।
২২। সাধারণ
সদস্যপদ
বাতিল
যদি
কেহ
গঠনতন্ত্র
পরিপন্থী কোন
কার্য করেন তবে
তাঁহার
সদস্যপদ
বাতিল হইবে।
২৩। পদ
বাতিলের
সিদ্ধান্ত
(সদস্যপদ
বাতিল)
উপরে
বর্ণিত ২১ ও
২২ ধারা
অনুযায়ী যে
কোন বিষয়ে সাধারণ
সভায়
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করিতে
হইবে।
২৪। আঞ্চলিক
শাখা গঠন ও
তাহার
কার্যপ্রণালী
(১) ঢাকার
বাহিরে
অবস্থিত
কমিশনের যে
কোন (একই কম্পাউন্ডে
নয়) প্রতিষ্ঠানে
নিম্নলিখিত
শর্ত
সাপেক্ষে সংঘের
আঞ্চলিক শাখা
গঠন করা যাইতে
পারেঃ
(ক)
সংঘের সাধারণ
সভা কর্তৃক
অনুমোদিত
হইলে।
(খ) সংশ্লিষ্ট
প্রতিষ্ঠান/কেন্দ্র/ইন্সটিটিউট/অফিস-এ
সংঘের চাঁদা
প্রদানকারী
ন্যূনতম ত্রিশজন
সদস্য
নিযুক্ত
থাকিলে।
(২) আঞ্চলিক
শাখার পরিষদ
নিম্নলিখিতভাবে
গঠিত হইবেঃ
আঞ্চলিক
শাখার পরিষদঃ
|
সভাপতি
|
১ (এক) জন
|
|
সম্পাদক
কাম
কোষাধ্যক্ষ
|
১ (এক) জন
|
|
সদস্য
|
৩ (তিন)
জন
|
(৩) আঞ্চলিক
শাখার চাঁদার
শতকরা পঞ্চাশ
ভাগ সংঘের
কেন্দ্রীয় তহবিলে
জমা দিতে হইবে
এবং আঞ্চলিক
শাখার
কার্যপরিচালনার
ব্যয়ভার
আঞ্চলিক
শাখাকেই বহন
করিতে হইবে।
(৪) আঞ্চলিক
শাখার সভাপতি
ও সম্পাদক কাম
কোষাধ্যক্ষের
যুক্ত
স্বাক্ষরে
আঞ্চলিক
শাখার ব্যাংক
একাউন্ট
পরিচালিত
হইবে।
(৫) প্রয়োজনবোধে
সংঘের
কেন্দ্রীয়
সাধারণ সভার
অনুমোদনক্রমে
আঞ্চলিক
শাখার কাঠামো
ও কার্যপ্রণালীর
ধারা
পরিবর্তন করা
যাইবে।
(৬) আঞ্চলিক
শাখার পরিষদ
সংঘের
কেন্দ্রীয়
পরিষদের সহিত
সংঘের যাতবীয়
স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি
এবং কর্মসূচী সম্পর্কে
যোগাযোগ
রক্ষা করিয়া
চলিবে এবং
সংঘের সাধারণ
সভায় ও কেন্দ্রীয়
পরিষদের সভায়
গৃহীত
সিদ্ধান্তের
প্রতি সমর্থন
প্রদান
করিবে।
(৭) আঞ্চলিক
শাখার পরিষদের
নির্বাচন
সংঘের
গঠনতন্ত্রের
১৪ (চৌদ্দ) ধারা
অনুযায়ী
অনুষ্ঠিত
হইতে হইবে।
সমাপ্ত